Header Ads Widget

Responsive Advertisement

লালমনিরহাটের অনুমোদনহীন বেকারী ব্যবসা চলছেই

লালমনিরহাট: সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে জীবনযাপনে জেলার গ্রামীন ও শহরের মানুষের দৈনিক খাদ্য তালিকায় যোগ হয়েছে রুটি, বিস্কুট, চানাচুরসহ নানা বেকারী পণ্য। জেলার হাটবাজারসহ বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে গড়ে উঠা দোকানগুলোতে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে এসব বেকারী পণ্য। এ পণ্যের ব্যাপক চাহিদা পুরনে জেলার বিভিন্ন স্থানে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠছে বেকারী প্রতিষ্ঠান। আর অধিকাংশ বেকারীতে পন্য তৈরী হচ্ছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। অনেক বেকারী পণ্যের নেই কোন বিএসটিআই অনুমোদন, নেই  পণ্যের উৎপাদন তারিখ। যা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকী স্বরূপ।
বেকারী এ পন্যগুলো তৈরীতে কাচামাল হিসাবে ব্যবহার করা হয় ময়দা, চিনি, তেল, ইষ্ট, সোডা ইত্যাদি। আবার চিনি বাঁচাতে ব্যবহার করা হচ্ছে স্যাকারিন। অনেক বেকারী মালিকদের খামির বা মেশিন না থাকায় ময়দা প্রস্তুত করতে ব্যবহার করা হচ্ছে হাত ও পা। খামির তৈরীর সময় শ্রমিকদের ঘাম ও হাত-পায়ে লেগে থাকা ময়লা মিশ্রিত হচ্ছে খাদ্যের সাথে। অতি লাভের আশায় বেকারী মালিকরা পন্য তৈরীতে ব্যবহার করছে নিম্ন মানের ময়দা ও তেল। আর ময়দা ফলানোর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে অধিক পরিমানে ক্ষতিকর ইষ্ট ও সোডা। এছাড়া ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি অধিকাংশ সময় থাকে  ময়লা ও নোংড়া।
সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আহসান আলী জানান, এসব ভেজাল খাবার খেলে মানুষের ডায়রিয়া, আমাশয়, ফুড পয়জনিং সহ নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এসব বেকারী পন্যের মান নিয়ন্ত্রনে স্যানিটারী ইন্সেপেকটর থাকার পরও তদারকী হচ্ছে না। অনেকে জানায় স্যানিটারী ইন্সপেকটর মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে তদারকি করছে না। এব্যাপারে সচেতন মহল বিএসটিআই ইন্সপেকশন জোরদার করে জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা জরুরী বলে মনে করছে।

Post a Comment

0 Comments