রাইসুল ইসলাম সেনা, লালমনিরহাট ॥ লালমনিরহাটে রাস্তা কেটে পুকুর বানিয়েছে একটি হিন্দু সম্প্রদায়। চলাচল করতে পারছেন না কয়েকটি পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে, সোমবার সকালে সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের আলাবকস গ্রামে। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী ও ওই হিন্দু সম্প্রদায়টি লালমনিরহাট সদর থানায় পৃথক পৃথক মামলা দায়ের করেছে।
এলাকাবাসী ও মামলার এজাহারে জানা যায়, লালমনিরহাট সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের আলাবকস গ্রামের প্রায় দুইশত বছরের পুরোনো একটি রাস্তা কেটে পুকুর বানিয়েছে একই গ্রামের রাখাল চন্দ্র (৫০) সহ একটি হিন্দু সম্প্রদায়। গ্রামের কয়েকটি পরিবারের লোকজনের উপর হিংসার বসবর্তী হইয়া গত সোমবার সকাল ৯টা দিকে রাখাল চন্দ্র ১০/১২ জন বহিরাগত সন্ত্রাসী হাতে লাঠি-সোঠা ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হইয়া রাস্তাটি কেটে ফেলতে গেলে গ্রামের লোকজন তাদের বাধা প্রদান করে। এতে রাখাল চন্দ্রের বহিরাগত সন্ত্রাসীরা অস্ত্র উচিয়ে গ্রামের বাধা প্রদানকারী লোকজনদের উপর ধাওয়া করলে তারা প্রান ভয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। যেহেতু ওই হিন্দু সম্প্রদায়টি অর্থবান ও প্রভাবশালী তাই তাদের ভয়ে গ্রামের কেউ তাদের এসব অবৈধ কাজে বাধা প্রদান করতে পারে না। এই সুযোগে বহিরাগত সন্ত্রসীদের উপস্থিতিতে রাখাল চন্দ্র রাস্তাটি কেটে পুকুর বানিয়ে ফেলে। এতে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয় গ্রামের রহিম মাষ্টারের পরিবার। কারন ওই পরিবারের লোকজনের বাইরে আসা-যাওয়ার একমাত্র সড়ক ওই রাস্তাটি।
পরবর্তীতে রহিম মাষ্টারের পরিবার রাখাল চন্দ্রকে রাস্তাটি পুনরায় মেরামত করার অনুরোধ করলে রাখাল বলেন, আমার জমিতে দেয়া রাস্তা আমি কেটেছি তাতে আমার বিরুদ্ধে তোমাদের কিছু করার থাকলে করো। রহিম মাষ্টার বলেন, মেনে নিলাম আপনার জমির উপর রাস্তা। তারপরেও তো আপনি রাস্তা কাটতে পারেন না। কারন এই রাস্তাটি আমাদের বাপ-দাদার আমলের পুরোনো রাস্তা এবং এই রাস্তাতো দিয়ে গ্রামের লোকজনই যাতায়াত করে। তারপরেও রাখাল চন্দ্র হুমকী দিয়ে বলে আমি একজন হিন্দু তাই তোমরা আমার কিছুই করতে পারবে না। আর করলে তার বিরুদ্ধে সংখ্যা লঘুদের উপর নির্যাতনকারী হিসেবে চিহ্নিত করে থানায় মামলা দায়ের হবে।
রোববার দুপুরে লালমনিরহাট জেলায় কর্মরত একদল সাংবাদিক সরেজমিন ওই ইউনিয়নে গেলে দেখা যায় প্রায় দুইশত গজ সরকারী রাস্তা কেটে পুকুর বানিয়ে ফেলা হয়েছে। কে বা কাহারা এই কাজ করেছে জানতে চাইলে গ্রামের লোকজন জানান, রাখাল চন্দ্র ও ওই গ্রামের প্রভাবশালী রাখাল চন্দ্র ও তার পরিবারা। কেন রাস্তাটি কাটা হলো প্রশ্নের জবাবে রাখাল চন্দ্র বলেন, রাস্তাটি আমার জমির উপর করা হয়েছে। তাই তিনি তার জমি ফেরত পেতে রাস্তা কেটে পুকুর বানিয়েছেন। কিন্তু গ্রামের লোকজন বলেন, এই রাস্তাটি দেড়শো বছরের পুরোনো রাস্তা। এই রাস্তা মেরামতের জন্য সরকারী ভাবে একাধীকবার অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। সেই অর্থ দিয়ে রাস্তাটি মেরামতও করা হয়েছে। তার পরেও কিসের এবং কার ক্ষমতা বলে রাখাল চন্দ্র রাস্তাটি কেটে ফেললো। এই রাস্তাটি কেটে ফেলায় গ্রামের কয়েকটি পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। বর্তমানে ওই পরিবার গুলো অন্যের বাড়ির ভিতর দিয়ে চলাচল করছে। গ্রামের বিজ্ঞ মহল মনে করেন, অন্যায় ভাবে রাস্তাটি কেটে ফেলায় মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। এ ব্যাপারে গ্রামের সচেতন মহল বিষয়টি সমাধানে সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
পঞ্চগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন মাষ্টার বলেন, রহিম মাষ্টার ও গ্রামের কিছু লোকজন আমাকে জানিয়েছে। আমি শালিস বৈঠকে বিষয়টি মিমাংসা করার জন্য রাখাল চন্দ্রকে বললেও সে আমার কথায় কর্নপাত না করে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে রহিম মাষ্টারও রাখালের বিরুদ্ধে লালমনিরহাট সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
এ ব্যাপারে লালমনিরহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলামের নিকট জানতে চেয়ে মোবাইল করলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোঃ আব্দুল মতিন জানান, লোকজনের চলাচলে যদি কোন রাস্তা মেরামত করার জন্য সরকারী বরাদ্দকৃত অর্থ খরচ করা হয় তাহলে কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠি সেই রাস্তার ক্ষতি সাধন বা রাস্তা কেটে নিজ দখলে নিতে পারবে না। আর সেটা করলে তার বিরুদ্ধে আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারবে উর্দ্ধতন কর্মকর্তা।
লালমনিরহাট সদর থানার ওসি (তদন্ত) প্রদীপ কুমার বলেন, শুনেছি পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের আলাবকস গ্রামে একটি হিন্দু সম্প্রদায় ওই গ্রামের কয়েকটি পরিবারের যাতায়াতের রাস্তা কেটে ফেলে পুকুর বানিয়েছে। যদি ঘটনাটি সত্য হয় তাহলে ওই হিন্দু সম্প্রদায়টি অন্যায় করেছে। তারপরেও গ্রামের লোকজন ও ওই হিন্দু পরিবারটিকে থানায় মিমাংসার জন্য আসতে বলা হয়েছে। থানায় মিমাংসা হলে রাস্তাটি পুনরায় ঠিক করে দেয়া হবে। তানা হলে ইতিমধ্যে সেখানে তদন্তের জন্য দুজন এসআইকে পাঠানো হয়েছে তদন্ত শেষে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এলাকাবাসী ও মামলার এজাহারে জানা যায়, লালমনিরহাট সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের আলাবকস গ্রামের প্রায় দুইশত বছরের পুরোনো একটি রাস্তা কেটে পুকুর বানিয়েছে একই গ্রামের রাখাল চন্দ্র (৫০) সহ একটি হিন্দু সম্প্রদায়। গ্রামের কয়েকটি পরিবারের লোকজনের উপর হিংসার বসবর্তী হইয়া গত সোমবার সকাল ৯টা দিকে রাখাল চন্দ্র ১০/১২ জন বহিরাগত সন্ত্রাসী হাতে লাঠি-সোঠা ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হইয়া রাস্তাটি কেটে ফেলতে গেলে গ্রামের লোকজন তাদের বাধা প্রদান করে। এতে রাখাল চন্দ্রের বহিরাগত সন্ত্রাসীরা অস্ত্র উচিয়ে গ্রামের বাধা প্রদানকারী লোকজনদের উপর ধাওয়া করলে তারা প্রান ভয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। যেহেতু ওই হিন্দু সম্প্রদায়টি অর্থবান ও প্রভাবশালী তাই তাদের ভয়ে গ্রামের কেউ তাদের এসব অবৈধ কাজে বাধা প্রদান করতে পারে না। এই সুযোগে বহিরাগত সন্ত্রসীদের উপস্থিতিতে রাখাল চন্দ্র রাস্তাটি কেটে পুকুর বানিয়ে ফেলে। এতে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয় গ্রামের রহিম মাষ্টারের পরিবার। কারন ওই পরিবারের লোকজনের বাইরে আসা-যাওয়ার একমাত্র সড়ক ওই রাস্তাটি।
পরবর্তীতে রহিম মাষ্টারের পরিবার রাখাল চন্দ্রকে রাস্তাটি পুনরায় মেরামত করার অনুরোধ করলে রাখাল বলেন, আমার জমিতে দেয়া রাস্তা আমি কেটেছি তাতে আমার বিরুদ্ধে তোমাদের কিছু করার থাকলে করো। রহিম মাষ্টার বলেন, মেনে নিলাম আপনার জমির উপর রাস্তা। তারপরেও তো আপনি রাস্তা কাটতে পারেন না। কারন এই রাস্তাটি আমাদের বাপ-দাদার আমলের পুরোনো রাস্তা এবং এই রাস্তাতো দিয়ে গ্রামের লোকজনই যাতায়াত করে। তারপরেও রাখাল চন্দ্র হুমকী দিয়ে বলে আমি একজন হিন্দু তাই তোমরা আমার কিছুই করতে পারবে না। আর করলে তার বিরুদ্ধে সংখ্যা লঘুদের উপর নির্যাতনকারী হিসেবে চিহ্নিত করে থানায় মামলা দায়ের হবে।
রোববার দুপুরে লালমনিরহাট জেলায় কর্মরত একদল সাংবাদিক সরেজমিন ওই ইউনিয়নে গেলে দেখা যায় প্রায় দুইশত গজ সরকারী রাস্তা কেটে পুকুর বানিয়ে ফেলা হয়েছে। কে বা কাহারা এই কাজ করেছে জানতে চাইলে গ্রামের লোকজন জানান, রাখাল চন্দ্র ও ওই গ্রামের প্রভাবশালী রাখাল চন্দ্র ও তার পরিবারা। কেন রাস্তাটি কাটা হলো প্রশ্নের জবাবে রাখাল চন্দ্র বলেন, রাস্তাটি আমার জমির উপর করা হয়েছে। তাই তিনি তার জমি ফেরত পেতে রাস্তা কেটে পুকুর বানিয়েছেন। কিন্তু গ্রামের লোকজন বলেন, এই রাস্তাটি দেড়শো বছরের পুরোনো রাস্তা। এই রাস্তা মেরামতের জন্য সরকারী ভাবে একাধীকবার অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। সেই অর্থ দিয়ে রাস্তাটি মেরামতও করা হয়েছে। তার পরেও কিসের এবং কার ক্ষমতা বলে রাখাল চন্দ্র রাস্তাটি কেটে ফেললো। এই রাস্তাটি কেটে ফেলায় গ্রামের কয়েকটি পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। বর্তমানে ওই পরিবার গুলো অন্যের বাড়ির ভিতর দিয়ে চলাচল করছে। গ্রামের বিজ্ঞ মহল মনে করেন, অন্যায় ভাবে রাস্তাটি কেটে ফেলায় মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। এ ব্যাপারে গ্রামের সচেতন মহল বিষয়টি সমাধানে সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
পঞ্চগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন মাষ্টার বলেন, রহিম মাষ্টার ও গ্রামের কিছু লোকজন আমাকে জানিয়েছে। আমি শালিস বৈঠকে বিষয়টি মিমাংসা করার জন্য রাখাল চন্দ্রকে বললেও সে আমার কথায় কর্নপাত না করে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে রহিম মাষ্টারও রাখালের বিরুদ্ধে লালমনিরহাট সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
এ ব্যাপারে লালমনিরহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলামের নিকট জানতে চেয়ে মোবাইল করলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোঃ আব্দুল মতিন জানান, লোকজনের চলাচলে যদি কোন রাস্তা মেরামত করার জন্য সরকারী বরাদ্দকৃত অর্থ খরচ করা হয় তাহলে কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠি সেই রাস্তার ক্ষতি সাধন বা রাস্তা কেটে নিজ দখলে নিতে পারবে না। আর সেটা করলে তার বিরুদ্ধে আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারবে উর্দ্ধতন কর্মকর্তা।
লালমনিরহাট সদর থানার ওসি (তদন্ত) প্রদীপ কুমার বলেন, শুনেছি পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের আলাবকস গ্রামে একটি হিন্দু সম্প্রদায় ওই গ্রামের কয়েকটি পরিবারের যাতায়াতের রাস্তা কেটে ফেলে পুকুর বানিয়েছে। যদি ঘটনাটি সত্য হয় তাহলে ওই হিন্দু সম্প্রদায়টি অন্যায় করেছে। তারপরেও গ্রামের লোকজন ও ওই হিন্দু পরিবারটিকে থানায় মিমাংসার জন্য আসতে বলা হয়েছে। থানায় মিমাংসা হলে রাস্তাটি পুনরায় ঠিক করে দেয়া হবে। তানা হলে ইতিমধ্যে সেখানে তদন্তের জন্য দুজন এসআইকে পাঠানো হয়েছে তদন্ত শেষে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।



0 Comments
Thanks for your comments