Header Ads Widget

Responsive Advertisement

লালমনিরহাটে শরিফার মৃত্যুকে নিয়ে এলাকাবাসীর প্রশ্ন ? হত্যা না আত্মহত্যা

খবরডেক্স ॥ লালমনিরহাটে শরিফার মৃত্যুকে নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। শরিফার মৃত্যু হত্যা না আত্মহত্যা এলাকাবাসীর প্রশ্ন?।
অভিযোগে জানা গেছে, লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর গন্ধমরুয়া মৃত তহির উদ্দিনের কন্যা মৃতঃ শরিফার সাথে ১৫ বছর আগে বিয়ে হয় লালমনিরহাট পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের খোচাবাড়ী গ্রামের জয়নাল
হোসেনের পুত্র মানিক মিয়ার সাথে। বিয়ে পর হতে মানিক নেশার টাকা যৌতুকের টাকার জন্য প্রায় শরিফা নির্যাতন চালাতো। এমনকি শরিফার শশুড় শাশুড়ী ও দেবর মিলে যৌতুকের টাকার জন্য শরিফাকে নির্যাতন চালাতো।  গত ১২ সেপ্টেম্বর’১৬ সকাল ১১টায় শরিফা নিজ ঘরে আত্মহত্যা করেছে এমন খবরের ভিত্তিতে স্থানীয় লোকজন মানিক মিয়ার বাড়ীতে ভিড় করে। পরে মৃত শরিফার ভাই পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ শরিফার লাশ ময়না তদন্ত করে শরিফার পরিবারকে দিয়ে দেয়।
শরিফার ভাই আলম মিয়া জানান, ঘটনার আগের দিন ভগ্নিপতি মানিকের মোবাইলে খবর পেয়ে তিনি তার বোনের বাড়ীতে যান। শ্বামী স্ত্রীর সামান্য ঝগড়া মনে করে মিমাংসা করে দিয়ে আসেন। এসময় মানিক বার বার শরিফাকে নিয়ে যেতে বলেন। কিন্ত আলম মিয়া মনে কনের তার বোনের দুটি পুত্র সন্তান আছে তাই তিনি ভগ্নিপতিকে বুঝিয়ে চলে আসেন। ঘটনার দিন ১২ সেপ্টেম্বর সকালে পাশ্ববর্তী বাড়ির মোবাইলে মানিক জানান, তার বোন খুব অসুস্থ তারাতারি চলে আসার জন্য। কিন্তু কিছুক্ষন পর ওই  এলাকার লোক মাধ্যমে জানতে পারি আমার বোন ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে আমার বোনের শশুড় বাড়ীতে গিয়ে দেখি বাড়ীর সব ঘরে তালা দেওয়া এবং আমার বোনের  লাশ বাড়ীর উঠানে পরে আছে। আমার ভগ্নিপতি মানিক তার বাবা মা ও ছোট ভাই মিলে আমার বোনকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। আমি এ হত্যার বিচার চাই।
শরিফার ছোট ছেলে আপন জানান, ঘটনার দিন আমার মা চা বানানোর জন্য ঘরে ডুকলে আমার ভাইয়া (দাদা) জয়না, দাদী মালেকা ও চাচা মতিন কারাইল (বাঁশের তৈরী) দিয়ে এলোপাতারি ডাং মার করে। এসময় আমার মা অজ্ঞান হয়ে পরে। আমি মায়ের খুনিদে বিচার চাই।
শরিফার ভাই আইয়ুব আলী জানান, আমার ভগ্নিপতি মানিক শুধু নেশাগ্রস্থই ছিল না তার সাথে বিভিন্ন মহিলার অবৈধ সম্পর্ক ছিল। তাই আমার বোনের উপর নির্যাতন চালাতো। আমার বোনে হত্যার বিচার চাই।
এলাকাবাসী জানায়, ঘটনা শুনে তারা বাড়িতে গিয়ে ফাঁসে ঝুলানো দেখে নাই। এদিকে শরিফার শশুড় বাড়ীর এলাবাসী কেউ কেউ নাম প্রকাশ না করার সত্বে জানান তাদের সন্দেহ ছিল এটা আত্মহত্যা নয় হত্যা।
লালমনিরহাট সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ময়না তদন্ত রিপোর্ট না আসা পযন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাচ্ছে না।




Post a Comment

0 Comments