রাইসুল ইসলাম সেনা, লালমনিরহাট।
লালমনিরহাট সদর
উপজেলার টি
আর
(টেষ্ট
রিলিপ)
কাজের
বিনিময়
খাদ্য
কর্মসূচি কাবিখাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের হরিলুটের অভিযোগ
পাওয়া
গেছে।
তবে
অভিযোগের আঙ্গুল
পিআইও
মসিয়ার
রহমানের দিকে।
জেলা
ত্রান
ও
পূণর্বাসন অফিস
সূত্রে
জানা
গেছে,
২০১৯-২০ অর্থ বছরে
লালমনিরহাট সদর
উপজেলায় ১ম
পর্যায়,
২য়
পর্যায়
সোলার
খাত,
নন-সোলার খাত, গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ আসনভিত্তিক বিভিন্ন প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দ
দেয়া
হয়।
এসবের
মধ্যে
বিশেষ
ও
সাধারণ
প্রকল্প রয়েছে।
এছাড়াও
সেতু,
কালভার্ট, গ্রামীণ মাটির
রাস্তায় হেবিং
বোন
বন্ড
নির্মাণ কর্মসূচি, অতি
দরিদ্রদের জন্য
কর্মসংস্থান কর্মসূচি, টিআর
কর্মসূচির আওতায়
গৃহহীনদের জন্য
দুর্যোগ সহনীয়
বাসগৃহ
নির্মাণ কর্মসূচি রয়েছে।
অভিযোগ
উঠেছে
সোলার,
ননসোলার ও
সোলারসিস্টেম খাতে
এবং
গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্থার এলাকাভিত্তিক খাদ্যশস্য চাল
ও
গম
প্রকল্পের আওতায়
বেশ
কিছু
ভুয়া
ও
অস্তিত্বহীন প্রকল্প রয়েছে।
যা
সঠিক
ও
নিরপেক্ষ তদন্ত
করলে
বেড়িয়ে
পড়বে
বলে
একাধিক
অভিযোগ
রয়েছে।
কাজের
বিনিময়ে খাদ্য
কর্মসূচি চাল
ও
গমের
বরাদ্দ
থাকলেও
করে
থাকলেও
কোন
এলাকায়
এসব
প্রকল্পের খবর
এলাকাবাসি জানেন
না।
প্রতিটি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের প্রকল্প সভাপতিগণ পিআইও
অফিসে
এসে
অফিস
পিয়ন জগদিসের মাধ্যমে ভুয়া মাস্টাররোল
তৈরী করে জমা দিয়ে
তাদের
বরাদ্দকৃত চাল/
গম
উত্তোলন না
করে
শহরের
ব্যবসায়ীদের নিকট
কালোবাজারে বিক্রি
করে
দিয়েছে।
এছাড়াও
বিভিন্ন প্রকল্পে একইভাবে ভূয়া
মাষ্টাররোল জমা
দিয়ে
বরাদ্দকৃত অর্থের
চেক
নিয়েছে। প্রকল্প সভাপতিরা পি.আই.ও এর
সাথে
যোগসাজস করে
ব্যাপক
দুর্নীতি করেছে।
বলা
যায়,
প্রকল্প গুলোর
কাজে
হরিলুট
করা
হয়েছে।
এই
উদ্দেশ্যে পি.আই.ও এর
অফিসে
২৫%
থেকে
৩০%
টাকা
ঘুষপ্রদান করা
হয়।
নাম
প্রকাশ
না
করার
শর্তে
একাধিক
মেম্বার ও
চেয়ারম্যান বলেন,
ইউনিয়নে প্রকল্পের কাজ
হয়েছে
কিন্তু
আমাদের
মাধ্যমে হয়নি।
সবকিছু
ক্ষমতাশীল দলের
নেতাকর্মীদের মাধ্যমে হয়েছে।
তারা
আরো
বলেন,
এইসব
প্রকল্প প্রকৃতপক্ষে নেতাকর্মী মোটাতাজাকরণ প্রকল্প। একসময়ে
যাদের
কিছুই
ছিলো
না,
এইসব
প্রকল্পের সাহায্যে তারা
আজ
লক্ষ
লক্ষ
টাকার
মালিকে
পরিণত
হয়েছে।
এইজন্য
পি.আই.ও মসিয়ার
রহমানকে মোটা
অংকের
উৎকোচ
দিতে
হয়েছে।
তিনিও
এসব
প্রকল্পের বিপরীতে প্রায়
কোটি
টাকা
হাতিয়ে
নিয়েছেন বলে
অভিযোগ
আছে।
প্রকল্পের ডিও
এবং
চেক
প্রদানের দায়িত্বে নিয়োজিত ঐ
অফিসের অফিস পিয়ন জগদিস যিনি মাষ্টার রোলে
কর্মরত
আছেন।
মূলত
তার
মাধ্যমেই পি
আই
ও
মসিয়ার
রহমান
প্রায়
কোটি
টাকা
হাতিয়ে
নিয়েছেন। প্রিয়
পাঠক
ইউনিয়ন ভিত্তিক প্রকল্পের হরিলুটের
খবর আরো বিস্তারিত খবর
নিয়মিত প্রকাশ করা
হবে।
পি আই ও মসিয়ার রহমান এর সাথে কথা বলার জন্য মুঠো ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি মোবাইল রিসিভ করেন নি।

0 Comments
Thanks for your comments