লালমনির খবর ডেক্স : জেলা নিকাহ রেজিষ্টারের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে নিকাহ রেজিষ্টার আইন লঙ্ঘন করার অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, গোকুন্ডা ইউনিয়নের কাজী আব্দুস সালাম পাশ্ববর্তী বড়বাড়ী ইউনিয়নের শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে আসছেন। মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিষ্ট্রিকরণ) বিধিমালা ১৯৭৫ এর ১৭ বিধি অনুযায়ী তিনি নিকাহ রেজিস্টার হবার পাশাপাশি অন্য কোন ইউনিয়নের শিক্ষকতা বা চাকুরী করতে পারেন না।
একই সাথে সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহাম্মেদ সাপ্টীবাড়ী ইউনিয়নের নিকাহ্ রেজিষ্টার হিসেবে দায়িত্বে আছে।
পাশাপাশি তিনিও দুরবর্তী একটি মাদ্রাসায় চাকুরী করছেন যা মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিষ্ট্রিকরণ) বিধিমালা ১৯৭৫ এর ১৭ বিধি অনুযায়ী তিনি চাকুরী করতে পারেন না।
তাছাড়া তারা একই সাথে হজ্জের ব্যবসার সাথে জড়িত।
এলাকাবাসীর অভিযোগ বিবাহের জন্য কাজী সাহেবদের ডাক দিলে তাদের ভাই অথবা অন্য কোন আত্বীয় পাঠিয়ে দেয় নিকাহ রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য।
যা বিধি মোতাবেক নয়। কাজীদের কেন বিবাহ অনুষ্ঠানে পাওয়া যায় না তা খুজতে গিয়ে জানা যায়, সভাপতি ও সম্পাদক এখন হাজীর ব্যবসা নিয়েমহা ব্যস্ত ১মিনিট কথা বলার সময় নেই তাদের।কে কতজন হাজী নিয়ে যেতে পারবে তার প্রতিযোগীতা শুরু হয়েছে।
এব্যাপারে কাজী সমিতির সভাপতি আব্দুস সালামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, নতুন সাকুলার রয়েছে সেই মোতাবেক আমরা কাজি ও চাকুরী দুটোই করতে পারি।
জেলা রেজিষ্টারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি মোবাইল রিসিভ করেননি।
জানা গেছে, গোকুন্ডা ইউনিয়নের কাজী আব্দুস সালাম পাশ্ববর্তী বড়বাড়ী ইউনিয়নের শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে আসছেন। মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিষ্ট্রিকরণ) বিধিমালা ১৯৭৫ এর ১৭ বিধি অনুযায়ী তিনি নিকাহ রেজিস্টার হবার পাশাপাশি অন্য কোন ইউনিয়নের শিক্ষকতা বা চাকুরী করতে পারেন না।
একই সাথে সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহাম্মেদ সাপ্টীবাড়ী ইউনিয়নের নিকাহ্ রেজিষ্টার হিসেবে দায়িত্বে আছে।
পাশাপাশি তিনিও দুরবর্তী একটি মাদ্রাসায় চাকুরী করছেন যা মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিষ্ট্রিকরণ) বিধিমালা ১৯৭৫ এর ১৭ বিধি অনুযায়ী তিনি চাকুরী করতে পারেন না।
তাছাড়া তারা একই সাথে হজ্জের ব্যবসার সাথে জড়িত।
এলাকাবাসীর অভিযোগ বিবাহের জন্য কাজী সাহেবদের ডাক দিলে তাদের ভাই অথবা অন্য কোন আত্বীয় পাঠিয়ে দেয় নিকাহ রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য।
যা বিধি মোতাবেক নয়। কাজীদের কেন বিবাহ অনুষ্ঠানে পাওয়া যায় না তা খুজতে গিয়ে জানা যায়, সভাপতি ও সম্পাদক এখন হাজীর ব্যবসা নিয়েমহা ব্যস্ত ১মিনিট কথা বলার সময় নেই তাদের।কে কতজন হাজী নিয়ে যেতে পারবে তার প্রতিযোগীতা শুরু হয়েছে।
এব্যাপারে কাজী সমিতির সভাপতি আব্দুস সালামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, নতুন সাকুলার রয়েছে সেই মোতাবেক আমরা কাজি ও চাকুরী দুটোই করতে পারি।
জেলা রেজিষ্টারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি মোবাইল রিসিভ করেননি।

0 Comments
Thanks for your comments