লালমনিরহাট: সরোজিনী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি
সুভাষ চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে স্কুলের ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের মনোরম সরোজিনী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্টিত হওয়ার পর স্কুলটি ১৯৮৩ সালে এমপিওভুক্তি হয়।
স্কুল প্রতিষ্ঠার সময় তারক চন্দ্র সরকারের স্ত্রী সরোজিনী বর্ম্মনী স্কুলটিতে ১ একর জমি দান করেন। সে কারনে স্কুলটির সভাপতি ছিলেন তার স্বামী তারক চন্দ্র সরকার।
সভাপতি তারক চন্দ্র মারা যাওয়ার পর জমি দাতা হওয়ায় তার পুত্র বর্তমান সভাপতি সুভাষ চন্দ্র স্কুলটির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হন। সুভাষ চন্দ্র সভাপতি হওয়ার পর থেকে স্কুলের নামে ৪২ শতক জমি নিজে চাষাবাদ করে স্কুল ফান্ডে অর্থ জমা না করে সমুদয় অর্থ আত্মসাত করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, স্কুলটি বর্তমানে ৪২শতক জমিতে অবকাঠমো আর ১৬ শতক জমি ফাঁকা পরে আছে এবং বাকী ৪৮ শতক জমি ইতিপূর্বে তারক চন্দ্র আবাদ করতো। বর্তমানে সভাপতি সুভাষ চাষাবাদ করছে কিন্তু জমিতে উৎপাদিত ফসলের কোন অর্থ স্কুল ফান্ডে জমা না দিয়ে আত্মসাত করছেন বলে এলাকাবাসী জানান।
এলাকাবাসী আরও জানান, প্রতি বছর ২০ হাজার টাকার ফসর উৎপাদন হলে তা স্কুলের ফান্ডে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা জমা থাকার কথা ।
এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক আলী হোসেন জানান, দীর্ঘ দিন থেকে স্কুলের সভাপতি জমিটি আবাদ করে কিন্তু ফসলের কোন অংশ স্কুল ফান্ডে না দিয়ে তিনি নিজেই তা ভোগ করে আসছেন। স্কুল কমিটির সভাপতি সুভাষ চন্দ্র বলেন, স্কুলের জমির ভাগ দিয়ে আমরা মন্দিরের উন্নয়ন করেছি। স্কুলের সম্পতির অর্থ দিয়ে মন্দিরের কাজ কিভাবে করলেন এধরনের প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন উত্তর দিতে পারেনি।
এব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের মনোরম সরোজিনী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্টিত হওয়ার পর স্কুলটি ১৯৮৩ সালে এমপিওভুক্তি হয়।
স্কুল প্রতিষ্ঠার সময় তারক চন্দ্র সরকারের স্ত্রী সরোজিনী বর্ম্মনী স্কুলটিতে ১ একর জমি দান করেন। সে কারনে স্কুলটির সভাপতি ছিলেন তার স্বামী তারক চন্দ্র সরকার।
সভাপতি তারক চন্দ্র মারা যাওয়ার পর জমি দাতা হওয়ায় তার পুত্র বর্তমান সভাপতি সুভাষ চন্দ্র স্কুলটির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হন। সুভাষ চন্দ্র সভাপতি হওয়ার পর থেকে স্কুলের নামে ৪২ শতক জমি নিজে চাষাবাদ করে স্কুল ফান্ডে অর্থ জমা না করে সমুদয় অর্থ আত্মসাত করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, স্কুলটি বর্তমানে ৪২শতক জমিতে অবকাঠমো আর ১৬ শতক জমি ফাঁকা পরে আছে এবং বাকী ৪৮ শতক জমি ইতিপূর্বে তারক চন্দ্র আবাদ করতো। বর্তমানে সভাপতি সুভাষ চাষাবাদ করছে কিন্তু জমিতে উৎপাদিত ফসলের কোন অর্থ স্কুল ফান্ডে জমা না দিয়ে আত্মসাত করছেন বলে এলাকাবাসী জানান।
এলাকাবাসী আরও জানান, প্রতি বছর ২০ হাজার টাকার ফসর উৎপাদন হলে তা স্কুলের ফান্ডে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা জমা থাকার কথা ।
এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক আলী হোসেন জানান, দীর্ঘ দিন থেকে স্কুলের সভাপতি জমিটি আবাদ করে কিন্তু ফসলের কোন অংশ স্কুল ফান্ডে না দিয়ে তিনি নিজেই তা ভোগ করে আসছেন। স্কুল কমিটির সভাপতি সুভাষ চন্দ্র বলেন, স্কুলের জমির ভাগ দিয়ে আমরা মন্দিরের উন্নয়ন করেছি। স্কুলের সম্পতির অর্থ দিয়ে মন্দিরের কাজ কিভাবে করলেন এধরনের প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন উত্তর দিতে পারেনি।
এব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

0 Comments
Thanks for your comments