লালমনির খবর ডেক্স :
লালমনিরহাটের আতিদমারী উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের কিসামত চন্দ্রপুর গ্রামে বহুল আলোচিত ৮ম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী শেফালী খাতুন শাপলাকে প্রথমে ধর্ষণ ও পরে অপহরনের মামলায় এক মাস অতিবাহিত হলেও ওই ছাত্রীকে উদ্ধার কিংবা আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। সে ওই গ্রামের সাইফুল ইসলাম মেয়ে ও আদিতমারী উপজেলার নামুড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী।
জানা গেছে, গত ২৫ মে বিকালে সাইফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী বাড়ীতে না থাকার সুযোগে একই গ্রামের রোস্তম আলী বখাটে ছেলে খোকন মিয়া (২০) ওই ছাত্রী বাড়ীতে প্রবেশ করে অস্ত্র মূখে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় মেয়েটির আতœচিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে ধর্ষক বখাটে যুবক খোকন পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে রক্তত অবস্থায় উদ্ধার করে আদিতমারী উপজেলা ¯^াস্থ্য কমপ্লেক্্ের ভর্তি করে। পরে ২৮মে ওই ছাত্রীর বাবা সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে বখাটে খোকন মিয়াসহ ৫জনকে আসামী করে আদিতমারী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের-৯(১)৩০ ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২৫। উক্ত মামলা করায় আসামীরা ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৮জুন বিকালে বখাটে খোকনের নেতৃত্বে এক দল বখাটে ওই ছাত্রীর বাড়ী গিয়ে তাকে মটর সাইকেল যোগে জোর পূর্বক অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ২২জুন আবারও ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামী করে একটি অপহরন মামলা দায়ের করেন।
এ ঘটনা পুলিশ রহস্যজনক কারনে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার কিংবা আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি বলে একটি সূত্র জানায়।
এদিকে মামলার বাদী সাইফুল ইসলাম জানান, তার মেয়েকে অপহরনকারীরা মেরে ফেলছে কিনা তা আল্লাহ ছাঁড়া আর কেউ জানেনা। তার মেয়েকে উদ্ধার ও আসামীদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের উচ্চ মহলের হস্তক্ষেপ কমুনা করেন তিনি।
এ দুই আলোচিত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবদুল হাই জানান, অপহরন হয়েছে সঠিক কিন্তু পুলিশ রহস্যজনক কারনে আসামীদের গ্রেফতার করেনি এটি সঠিক নয় । আসামীদের গ্রেফতার ও ছাত্রী শাপলাকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
এ ব্যাপারে আদিতমারী থানার ওসি আসলাম ইকবাল পুলিশের রহস্যজনক কারনের কথা অ¯^ীকার করে জানান, আসামীদের গ্রেফতার জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযোন চালিয়েছেন পুলিশ। ওই ছাত্রীকে উদ্ধার ও আসামীদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
লালমনিরহাটের আতিদমারী উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের কিসামত চন্দ্রপুর গ্রামে বহুল আলোচিত ৮ম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী শেফালী খাতুন শাপলাকে প্রথমে ধর্ষণ ও পরে অপহরনের মামলায় এক মাস অতিবাহিত হলেও ওই ছাত্রীকে উদ্ধার কিংবা আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। সে ওই গ্রামের সাইফুল ইসলাম মেয়ে ও আদিতমারী উপজেলার নামুড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী।
জানা গেছে, গত ২৫ মে বিকালে সাইফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী বাড়ীতে না থাকার সুযোগে একই গ্রামের রোস্তম আলী বখাটে ছেলে খোকন মিয়া (২০) ওই ছাত্রী বাড়ীতে প্রবেশ করে অস্ত্র মূখে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় মেয়েটির আতœচিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে ধর্ষক বখাটে যুবক খোকন পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে রক্তত অবস্থায় উদ্ধার করে আদিতমারী উপজেলা ¯^াস্থ্য কমপ্লেক্্ের ভর্তি করে। পরে ২৮মে ওই ছাত্রীর বাবা সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে বখাটে খোকন মিয়াসহ ৫জনকে আসামী করে আদিতমারী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের-৯(১)৩০ ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২৫। উক্ত মামলা করায় আসামীরা ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৮জুন বিকালে বখাটে খোকনের নেতৃত্বে এক দল বখাটে ওই ছাত্রীর বাড়ী গিয়ে তাকে মটর সাইকেল যোগে জোর পূর্বক অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে ২২জুন আবারও ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামী করে একটি অপহরন মামলা দায়ের করেন।
এ ঘটনা পুলিশ রহস্যজনক কারনে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার কিংবা আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি বলে একটি সূত্র জানায়।
এদিকে মামলার বাদী সাইফুল ইসলাম জানান, তার মেয়েকে অপহরনকারীরা মেরে ফেলছে কিনা তা আল্লাহ ছাঁড়া আর কেউ জানেনা। তার মেয়েকে উদ্ধার ও আসামীদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের উচ্চ মহলের হস্তক্ষেপ কমুনা করেন তিনি।
এ দুই আলোচিত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবদুল হাই জানান, অপহরন হয়েছে সঠিক কিন্তু পুলিশ রহস্যজনক কারনে আসামীদের গ্রেফতার করেনি এটি সঠিক নয় । আসামীদের গ্রেফতার ও ছাত্রী শাপলাকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
এ ব্যাপারে আদিতমারী থানার ওসি আসলাম ইকবাল পুলিশের রহস্যজনক কারনের কথা অ¯^ীকার করে জানান, আসামীদের গ্রেফতার জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযোন চালিয়েছেন পুলিশ। ওই ছাত্রীকে উদ্ধার ও আসামীদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

0 Comments
Thanks for your comments