লালমনির ডেক্স: লালমনিরহাটে জমি বিক্রয়ের নামে প্রতারণার মামলায় আদালত কর্তৃক প্রতারক রঞ্জুর বিরম্নদ্ধে সমনজারি। জমি বায়নার টাকা নিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অন্য ব্যক্তির নিকট বিক্রয়ের অভিযোগ উঠেছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট সদর উপজেলার জুম্মাপাড়া গ্রামের আব্দুস সামাদের পুত্র হাফিজুর রহমান বাবু জেলার আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের উত্তর গোবধা গ্রামের আব্দুল হামিদের পুত্র সাইফুর ইসলাম রঞ্জুর নিজ নামীয় ৯৮ শতক জমি ক্রয়ের জন্য ৫ লাখ টাকা মুল্য নিধারণ হয়। এর মধ্যে গত গত ১০ ডিসেম্বর'১২ইং তারিখে ৩ লাখ টাকা রঞ্জুকে প্রদান করে সাব-রেজিষ্টী মুলে বায়না পত্র করেন বাবু। বায়নার শর্ত ছিল আগামী ৩ মাসের মধ্যে বাকী ২ লাখ টাক গ্রহন করে সাব কবলা করে দিবেন জমির মালিক সাইফুল ইসলাম রঞ্জু। কিন্তু অবশিষ্ট টাকা গ্রহণ পূর্বক জমির নাম খারিজ করা নিয়ে আজ কাল করে দিন পার করতে থাকে প্রতারক রঞ্জু। গত ৪ এপ্রির'১৩ইং তারিখে জমি লিখে দিবে মর্মে অবশিষ্ট ২ লাখ টাকা গ্রহণ করে আদিতমারী সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে গিয়ে প্রতারক রঞ্জু জমি লিখে না দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে বিপাকে পরে জমি ক্রেতা হাফিজুর রহমান বাবু। উপায়ন্ত্ম না পেয়ে উক্ত হাফিজুর রহমান বাবু এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের দারস্ত্ম হলে গত ২৭ এপ্রিল'১৪ এক শালিসী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু ওই প্রতারক বৈঠকে আসেনি এবং টাকা বা জমি কোনটাই সে দিবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেয়। উপায় না পেয়ে গত ২৯ এপ্রিল'১৪ তারিখে বাবু চীপ জুডিশিয়াল আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ৫৪/১৪। এদিকে ওই মামলার আসামী প্রতারক রঞ্জু গত কয়েকদিন আগে ওই জমিটি অন্য এক ব্যক্তির কাছে বিক্রয় করেন। যদিও মামলার বাদী ও জমি ক্রেতা বাবু আদিতমারী সাব-রেজিষ্ট্রী অফিসের লিখিত ভাবে অভিযোগ দিয়েছিলেন ও মামলার কাগজ দিয়েছিলেন। কিন্তু আদিতমারী সাব-রেজিষ্ট্রার মোটা অংকের অর্থের বিনিমযে জমিটি রেজিষ্ট্রী করেন দেন।
বাদী অভিযোগ, সাব-রেজিস্টারকে লিখিত ভাবে অভিযোগ করেছি এবং জমিটির উপর মামলা রয়েছে বিষয়টি অবগত করেছি। তার পরও তিনি সাব রেজিষ্টার মোটা অংকের অর্থের বিনিমযে জমিটি রেজিষ্ট্রি সম্পাদন করলো তার বিচার চাই।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট সদর উপজেলার জুম্মাপাড়া গ্রামের আব্দুস সামাদের পুত্র হাফিজুর রহমান বাবু জেলার আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের উত্তর গোবধা গ্রামের আব্দুল হামিদের পুত্র সাইফুর ইসলাম রঞ্জুর নিজ নামীয় ৯৮ শতক জমি ক্রয়ের জন্য ৫ লাখ টাকা মুল্য নিধারণ হয়। এর মধ্যে গত গত ১০ ডিসেম্বর'১২ইং তারিখে ৩ লাখ টাকা রঞ্জুকে প্রদান করে সাব-রেজিষ্টী মুলে বায়না পত্র করেন বাবু। বায়নার শর্ত ছিল আগামী ৩ মাসের মধ্যে বাকী ২ লাখ টাক গ্রহন করে সাব কবলা করে দিবেন জমির মালিক সাইফুল ইসলাম রঞ্জু। কিন্তু অবশিষ্ট টাকা গ্রহণ পূর্বক জমির নাম খারিজ করা নিয়ে আজ কাল করে দিন পার করতে থাকে প্রতারক রঞ্জু। গত ৪ এপ্রির'১৩ইং তারিখে জমি লিখে দিবে মর্মে অবশিষ্ট ২ লাখ টাকা গ্রহণ করে আদিতমারী সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে গিয়ে প্রতারক রঞ্জু জমি লিখে না দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে বিপাকে পরে জমি ক্রেতা হাফিজুর রহমান বাবু। উপায়ন্ত্ম না পেয়ে উক্ত হাফিজুর রহমান বাবু এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের দারস্ত্ম হলে গত ২৭ এপ্রিল'১৪ এক শালিসী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু ওই প্রতারক বৈঠকে আসেনি এবং টাকা বা জমি কোনটাই সে দিবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেয়। উপায় না পেয়ে গত ২৯ এপ্রিল'১৪ তারিখে বাবু চীপ জুডিশিয়াল আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ৫৪/১৪। এদিকে ওই মামলার আসামী প্রতারক রঞ্জু গত কয়েকদিন আগে ওই জমিটি অন্য এক ব্যক্তির কাছে বিক্রয় করেন। যদিও মামলার বাদী ও জমি ক্রেতা বাবু আদিতমারী সাব-রেজিষ্ট্রী অফিসের লিখিত ভাবে অভিযোগ দিয়েছিলেন ও মামলার কাগজ দিয়েছিলেন। কিন্তু আদিতমারী সাব-রেজিষ্ট্রার মোটা অংকের অর্থের বিনিমযে জমিটি রেজিষ্ট্রী করেন দেন।
বাদী অভিযোগ, সাব-রেজিস্টারকে লিখিত ভাবে অভিযোগ করেছি এবং জমিটির উপর মামলা রয়েছে বিষয়টি অবগত করেছি। তার পরও তিনি সাব রেজিষ্টার মোটা অংকের অর্থের বিনিমযে জমিটি রেজিষ্ট্রি সম্পাদন করলো তার বিচার চাই।

0 Comments
Thanks for your comments