লালমনির খবর ডেক্স:
লালমনিরহাটে নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে নকল করার দায়ে গতকাল বুধবার একসাথে ৬০ জন ফাজিল পরীক্ষার্থীকে বহিস্কার করেছেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট। ওই কেন্দ্রে মোট ৭৪ জন পরীক্ষার্থী ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ফাজিল (ডিগ্রী) ৩য় বর্ষের রাষ্ট্রবিজ্ঞান ফাইনাল পরীক্ষার কেন্দ্র ছিল শহরের নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসা। কিন্তু পরীক্ষা শুরম্ন পর থেকেই কেন্দ্রটিতে অর্থের বিনিময় নকল করার সুযোগ দেযার অভিযোগ ওঠে কর্তৃপক্ষ ও পরীক্ষায় কর্তব্যরত শিক্ষকদের বিরম্নদ্ধে। আর এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই পরীক্ষার শেষ দিনে বুধবার সকালে পরীক্ষা শুরম্ন হওয়ার এক ঘন্টা পর আকস্মিক ভাবে পরীক্ষা কেন্দ্র উপস্থিত হন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট রাজা মোঃ আব্দুল হাই সহ আরো দুই ম্যাজিস্ট্রেট।
পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রকাশ্যে নকল করার বিষয়টি হাতেনাতে প্রমান পাওয়ার পর মোট ৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে একে একে ৬০ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কৃত একাধিক ছাত্র সাংবাদিকদের বলেন, শিক্ষকদের টাকা দিয়ে তারা প্রকাশ্যে নকল করেছেন, কথা ছিল কেউই তাদের বহিষ্কার করবে না। এখন আমরা কি করব? আমাদের ভবিষ্যৎ কি হবে?
এ ব্যাপারে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এবিএম মাহফুজার রহমান সাংবাদিকদের সাথে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
লালমনিরহাটে নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে নকল করার দায়ে গতকাল বুধবার একসাথে ৬০ জন ফাজিল পরীক্ষার্থীকে বহিস্কার করেছেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট। ওই কেন্দ্রে মোট ৭৪ জন পরীক্ষার্থী ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ফাজিল (ডিগ্রী) ৩য় বর্ষের রাষ্ট্রবিজ্ঞান ফাইনাল পরীক্ষার কেন্দ্র ছিল শহরের নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসা। কিন্তু পরীক্ষা শুরম্ন পর থেকেই কেন্দ্রটিতে অর্থের বিনিময় নকল করার সুযোগ দেযার অভিযোগ ওঠে কর্তৃপক্ষ ও পরীক্ষায় কর্তব্যরত শিক্ষকদের বিরম্নদ্ধে। আর এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই পরীক্ষার শেষ দিনে বুধবার সকালে পরীক্ষা শুরম্ন হওয়ার এক ঘন্টা পর আকস্মিক ভাবে পরীক্ষা কেন্দ্র উপস্থিত হন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট রাজা মোঃ আব্দুল হাই সহ আরো দুই ম্যাজিস্ট্রেট।
পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রকাশ্যে নকল করার বিষয়টি হাতেনাতে প্রমান পাওয়ার পর মোট ৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে একে একে ৬০ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কৃত একাধিক ছাত্র সাংবাদিকদের বলেন, শিক্ষকদের টাকা দিয়ে তারা প্রকাশ্যে নকল করেছেন, কথা ছিল কেউই তাদের বহিষ্কার করবে না। এখন আমরা কি করব? আমাদের ভবিষ্যৎ কি হবে?
এ ব্যাপারে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এবিএম মাহফুজার রহমান সাংবাদিকদের সাথে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

0 Comments
Thanks for your comments