খবর লালমনিরহাট॥
ছয় বছর আগে মা হারিয়ে নাবিলার ঠিকানা হয়েছে আল-নাহিয়ান শিশু পরিবারে। সেখানে থাকে তার আরও দুই বোন নাদিরা ও সৃষ্টি খাতুন। তাদের বাবা ঢাকায় গার্মেন্টে কাজ করে। চার বোন ওরা, ছোট বয়সে মাকে হারিয়েছে। জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় তাদের বাড়ী, মা নেই, তাই ওদের ঠিকানা হয়েছে এতিম খানায়। শুধু নাবিলা, নাদিরা ও সৃষ্টিই নয়। তাদের সাথে ওই এতিম খানায় আরও ১২৮ কন্যা শিশুর ঠিকানা হয়েছে। জন্ম থেকেই ১৮ বছর পর্যন্ত সেখানেই তাদের বর্তমান ঠিকানা। সেখানে তারা লেখাপড়াও করেন। এসবের ফাঁকে আত্মশক্তি অর্জনে নানান প্রশিক্ষণও প্রদান করা হয় তাদেরকে। তবে তাদের ‘মা’ ও ‘বাবার’ গুরু দায়িত্বে রয়েছেন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান। মাঝে মধ্যেই তিনি সেখানে ছুটে যান শিশু পরিবারের ওইসব এতিমদের খোজ খবর নিতে । তাদের সাথে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেন তিনি। শিশুদের জন্য আল-নাহিয়ান শিশু পরিবারে চিত্ত বিনোদনের ব্যবস্থা ছিল না। এ কারনেই রংপুর গ্রুপের পরিচালক ও চ্যানেল আইয়ের সিনিয়র প্রোগ্রাম প্রডিউসার রবিন খান সম্প্রতি একটি টেলিভিশন প্রদান করেন শিশু পরিবারে। ওই সময়ে শিশুরা চুড়ই ভাতির বায়না ধরেন। তিনি রাজিও হয়ে যান। জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমানের সাথে আলোচনা করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর ৯৭তম জন্মদিনে আল-নাহিয়ানের সকল শিশুদের সাথে লালমনিরহাট পৌরসভায় নবনির্মিত রবিনের ‘ফেরা’ বাসভবনে কাটানোর শিশু পরিবারের শিশুরাসহ রাতের খাবারসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। শিশুদের জন্য সেখানে দেশাত্ববোধক গানের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের গানের আয়োজন করা হয়। মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান শিশুদের নিয়ে উপভোগ করেন। এক পর্যায়ে হাবিবুর রহমান নিজেই শিশুদের কেউ গান, নাজ, আবৃতি ও কৌতুক পরিবেশন করার আহবান করেন। হাবিবুর রহমানের ঘোষণায় এক লাফেই মঞ্চে উঠে পড়েন লতিফা আক্তার, সুলতানা আক্তার সাথী, সাদিয়া আক্তার সিমুসহ অনেকে। চমৎকারভাবে নাচ ও দেশাত্ববোধক গান পরিবেশন করে মাতিয়ে তোলেন সকলকে। কী চমৎকার পরিবেশনায় জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান ও আয়োজক বিশিষ্ট সমাজসেবক রবিন খান শিশুদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। একই মঞ্চে স্থানীয় শিল্পী মোহাম্মদ আলীর কন্ঠে সেই কালজয়ী গানের শুর বেজে ওঠে ‘যদি রাত পোহালে শোনা যেত, বঙ্গবন্ধু মরে নাই, তাহলে.....’। এ সময় তাঁর কন্ঠে সকলেই একই সুরে গেয়ে ওঠে গানটি।
এ সময় এইচএসসি পরীক্ষার্থী নাসরিন আক্তার বলেন, ‘আমরা চৎমকারভাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭তম জন্মদিনটি পালন করলাম। মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আজকে আমাদের এতিম শব্দটি মুছে গেছে। আমরা নতুন করে ভাবতে ও স্বপ্ন দেখতে শিখলাম। এজন্য আমাদের প্রিয় অভিভাবক জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান স্যার ও রবিন খান ভাইয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’
অনুষ্ঠান চলাকালীন বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান। তিনি বাঙালির জাতির স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধুর অবদান ও ইতিহাস তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য যেন, শুধু শিশুদের নয়; উপস্থিত সকলের চোখে বন্যা বইয়ে দেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই শিশুদের মাইক্রোবাসে করে লালমনিরহাট এলজিইডি ভবন এলাকায় অবস্থিত শিশু আল নাহিয়ান পরিবার থেকে সমাজসেবক রবিন খানের বাসা ‘ফেরায়’ নিয়ে আসা হয়। পরে জাতির জনকের জন্মদিন পালন শেষে রাতে শিশুদের রাতের খাবার খাওয়ানো হয়। অনুষ্ঠান শেষে রাত ১১টার দিকে বাবা-ম হারা এতিম এসব শিশুর উপ-তত্বাবধায়ক আবু তাহের বছির, শিশু খালা জানাহারাসহ শিশু মাতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষ হলে জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান নিজে তাদের সাথে থেকে রাতেই মাইক্রোবাস যোগে তাদের পৌঁছে দেওয়া হয়।
ছয় বছর আগে মা হারিয়ে নাবিলার ঠিকানা হয়েছে আল-নাহিয়ান শিশু পরিবারে। সেখানে থাকে তার আরও দুই বোন নাদিরা ও সৃষ্টি খাতুন। তাদের বাবা ঢাকায় গার্মেন্টে কাজ করে। চার বোন ওরা, ছোট বয়সে মাকে হারিয়েছে। জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় তাদের বাড়ী, মা নেই, তাই ওদের ঠিকানা হয়েছে এতিম খানায়। শুধু নাবিলা, নাদিরা ও সৃষ্টিই নয়। তাদের সাথে ওই এতিম খানায় আরও ১২৮ কন্যা শিশুর ঠিকানা হয়েছে। জন্ম থেকেই ১৮ বছর পর্যন্ত সেখানেই তাদের বর্তমান ঠিকানা। সেখানে তারা লেখাপড়াও করেন। এসবের ফাঁকে আত্মশক্তি অর্জনে নানান প্রশিক্ষণও প্রদান করা হয় তাদেরকে। তবে তাদের ‘মা’ ও ‘বাবার’ গুরু দায়িত্বে রয়েছেন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান। মাঝে মধ্যেই তিনি সেখানে ছুটে যান শিশু পরিবারের ওইসব এতিমদের খোজ খবর নিতে । তাদের সাথে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেন তিনি। শিশুদের জন্য আল-নাহিয়ান শিশু পরিবারে চিত্ত বিনোদনের ব্যবস্থা ছিল না। এ কারনেই রংপুর গ্রুপের পরিচালক ও চ্যানেল আইয়ের সিনিয়র প্রোগ্রাম প্রডিউসার রবিন খান সম্প্রতি একটি টেলিভিশন প্রদান করেন শিশু পরিবারে। ওই সময়ে শিশুরা চুড়ই ভাতির বায়না ধরেন। তিনি রাজিও হয়ে যান। জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমানের সাথে আলোচনা করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর ৯৭তম জন্মদিনে আল-নাহিয়ানের সকল শিশুদের সাথে লালমনিরহাট পৌরসভায় নবনির্মিত রবিনের ‘ফেরা’ বাসভবনে কাটানোর শিশু পরিবারের শিশুরাসহ রাতের খাবারসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। শিশুদের জন্য সেখানে দেশাত্ববোধক গানের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের গানের আয়োজন করা হয়। মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান শিশুদের নিয়ে উপভোগ করেন। এক পর্যায়ে হাবিবুর রহমান নিজেই শিশুদের কেউ গান, নাজ, আবৃতি ও কৌতুক পরিবেশন করার আহবান করেন। হাবিবুর রহমানের ঘোষণায় এক লাফেই মঞ্চে উঠে পড়েন লতিফা আক্তার, সুলতানা আক্তার সাথী, সাদিয়া আক্তার সিমুসহ অনেকে। চমৎকারভাবে নাচ ও দেশাত্ববোধক গান পরিবেশন করে মাতিয়ে তোলেন সকলকে। কী চমৎকার পরিবেশনায় জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান ও আয়োজক বিশিষ্ট সমাজসেবক রবিন খান শিশুদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। একই মঞ্চে স্থানীয় শিল্পী মোহাম্মদ আলীর কন্ঠে সেই কালজয়ী গানের শুর বেজে ওঠে ‘যদি রাত পোহালে শোনা যেত, বঙ্গবন্ধু মরে নাই, তাহলে.....’। এ সময় তাঁর কন্ঠে সকলেই একই সুরে গেয়ে ওঠে গানটি।
এ সময় এইচএসসি পরীক্ষার্থী নাসরিন আক্তার বলেন, ‘আমরা চৎমকারভাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭তম জন্মদিনটি পালন করলাম। মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আজকে আমাদের এতিম শব্দটি মুছে গেছে। আমরা নতুন করে ভাবতে ও স্বপ্ন দেখতে শিখলাম। এজন্য আমাদের প্রিয় অভিভাবক জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান স্যার ও রবিন খান ভাইয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’
অনুষ্ঠান চলাকালীন বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান। তিনি বাঙালির জাতির স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধুর অবদান ও ইতিহাস তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য যেন, শুধু শিশুদের নয়; উপস্থিত সকলের চোখে বন্যা বইয়ে দেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই শিশুদের মাইক্রোবাসে করে লালমনিরহাট এলজিইডি ভবন এলাকায় অবস্থিত শিশু আল নাহিয়ান পরিবার থেকে সমাজসেবক রবিন খানের বাসা ‘ফেরায়’ নিয়ে আসা হয়। পরে জাতির জনকের জন্মদিন পালন শেষে রাতে শিশুদের রাতের খাবার খাওয়ানো হয়। অনুষ্ঠান শেষে রাত ১১টার দিকে বাবা-ম হারা এতিম এসব শিশুর উপ-তত্বাবধায়ক আবু তাহের বছির, শিশু খালা জানাহারাসহ শিশু মাতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষ হলে জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান নিজে তাদের সাথে থেকে রাতেই মাইক্রোবাস যোগে তাদের পৌঁছে দেওয়া হয়।


0 Comments
Thanks for your comments