

লালমনির খবর ডেক্স ॥ ছোট্র শিশু কন্যা তাজিম, বয়স সাত বছর। হাসপাতালের বেডে শুয়ে কাতারাচ্ছে। আশেপাশে তার কেউ নেই, শীর্ণ হাত-পা, চোখে-মুখে আতঙ্কের ছাপ। শুধু চোখ দুটো দিয়ে সবার দিকে তাকিয়ে আছে। পটের নিচে কিডনির জায়গায় কাটা দাগ, ডান হাতে লোহার রড ঢুকানো,পায়ের হাটু দুইটি ফুলে আছে, মাথায় অসংখ আঘাতের চিহ্ন। গোটা দেহ জুরে কাটার সাদা সাদা দাগ। ঠিকানা বিহীন শিশুটিকে গত দুই দিন আগে অজ্ঞাত এক ব্যাক্তি হাতীবান্ধা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেদেন।
ছোট্র শিশু তাজিম হাসপাতালে বেডে শুয়ে বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় সাংবাদিকদের জানান, কাজ করতে না পারায় গৃহকর্ত্রী এমি আক্তার লোহার রড উত্তপ্ত করে ছ্যাঁকা দিয়েছেন। চাকু দিয়ে প্রতিদিন আমার দেহে আঘাত করেন। রড দিয়ে আমার একটি হাত ভেঙ্গে দেয়। প্রতিদিন এভাবেই চলে অমানুষিক নির্যাতন।
জানা গেছে, লালমনিহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার পুর্ব সিন্দুর্না গ্রামের রুস্তম খন্দকারে মেয়ে এমি আক্তার (৩০) ও তার স্বামী ব্যবসায়ী শিমুল মিয়া (৪০) আটমাস আগে ঢাকা উত্তরায় তাজিমকে (৭) গৃহকর্মী হিসেবে কাজে নেন। কাজ করতে না পাড়ায় উত্তরার তাদেও ওই ভাড়াটে বাসায় তাজিমের উপর চলে প্রতিদিন এমন অমানুষীক নির্যাতন। এর আগেও এমি আক্তার তার নিজ গ্রাম পুর্ব সিন্দুর্নার গ্রামের জালাল উদ্দিনের মেয়ে নাছিমা খাতুনকে গৃহকর্মী কাজে নিয়ে তাকে অমানুষিক নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শিশু কন্যা গৃহকর্মী তাজিম পাটগ্রাম উপজেলার জগতবেড় ইউনিয়নে টংভাঙ্গা গ্রামের ইউছুফ আলীর মেয়ে। সংবাদ পেয়ে তার বাবা ইউছুফ হাতীবান্ধা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাকে উদ্ধার করে পাটগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। বর্তমান সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।
অভাবের তাড়নায় আশা খাতুন ৬ কন্যা সন্তানের মুখে দু বেলা দু মুটো খাবারের জন্য অন্যের বাসায় কাজ করতে পাঠান। তার ৩ সন্তান বর্তমানে বিভিন্ন জায়গায় অন্যের বাসায় কাজ করে।
শিশু গৃহকর্মী তাজিমের মা আশা খাতুন জানান, আমার মেয়েকে অভাবের তাড়নায় আট মাস আগে জগতবের উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আমিনুর মাষ্টারের মাধ্যমে তাজিমকে ঢাকায় পাঠাই। তিনি আরও বলেন, তারা আমার মেয়েকে ঢাকার কোথায় নিয়ে যান জানিনা। শুধু জানি তার মেয়েকে কাজের জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
শিশু তাজিমকে গোপনে হাতীবান্ধা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করার অপরাধে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ উপজেলার বাড়াই পাড়া গ্রামের আব্দুল হাই মাষ্টারের ছেলে রাজু মিয়া (৩০) কে আটক করেন।
পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি অবনি কুমার গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করে বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকা উত্তরার পশ্চিম থানার ওসির সাথে যোগাযোগ চলছে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
ছোট্র শিশু তাজিম হাসপাতালে বেডে শুয়ে বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় সাংবাদিকদের জানান, কাজ করতে না পারায় গৃহকর্ত্রী এমি আক্তার লোহার রড উত্তপ্ত করে ছ্যাঁকা দিয়েছেন। চাকু দিয়ে প্রতিদিন আমার দেহে আঘাত করেন। রড দিয়ে আমার একটি হাত ভেঙ্গে দেয়। প্রতিদিন এভাবেই চলে অমানুষিক নির্যাতন।
জানা গেছে, লালমনিহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার পুর্ব সিন্দুর্না গ্রামের রুস্তম খন্দকারে মেয়ে এমি আক্তার (৩০) ও তার স্বামী ব্যবসায়ী শিমুল মিয়া (৪০) আটমাস আগে ঢাকা উত্তরায় তাজিমকে (৭) গৃহকর্মী হিসেবে কাজে নেন। কাজ করতে না পাড়ায় উত্তরার তাদেও ওই ভাড়াটে বাসায় তাজিমের উপর চলে প্রতিদিন এমন অমানুষীক নির্যাতন। এর আগেও এমি আক্তার তার নিজ গ্রাম পুর্ব সিন্দুর্নার গ্রামের জালাল উদ্দিনের মেয়ে নাছিমা খাতুনকে গৃহকর্মী কাজে নিয়ে তাকে অমানুষিক নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শিশু কন্যা গৃহকর্মী তাজিম পাটগ্রাম উপজেলার জগতবেড় ইউনিয়নে টংভাঙ্গা গ্রামের ইউছুফ আলীর মেয়ে। সংবাদ পেয়ে তার বাবা ইউছুফ হাতীবান্ধা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাকে উদ্ধার করে পাটগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। বর্তমান সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।
অভাবের তাড়নায় আশা খাতুন ৬ কন্যা সন্তানের মুখে দু বেলা দু মুটো খাবারের জন্য অন্যের বাসায় কাজ করতে পাঠান। তার ৩ সন্তান বর্তমানে বিভিন্ন জায়গায় অন্যের বাসায় কাজ করে।
শিশু গৃহকর্মী তাজিমের মা আশা খাতুন জানান, আমার মেয়েকে অভাবের তাড়নায় আট মাস আগে জগতবের উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আমিনুর মাষ্টারের মাধ্যমে তাজিমকে ঢাকায় পাঠাই। তিনি আরও বলেন, তারা আমার মেয়েকে ঢাকার কোথায় নিয়ে যান জানিনা। শুধু জানি তার মেয়েকে কাজের জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
শিশু তাজিমকে গোপনে হাতীবান্ধা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করার অপরাধে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ উপজেলার বাড়াই পাড়া গ্রামের আব্দুল হাই মাষ্টারের ছেলে রাজু মিয়া (৩০) কে আটক করেন।
পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি অবনি কুমার গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করে বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকা উত্তরার পশ্চিম থানার ওসির সাথে যোগাযোগ চলছে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


0 Comments
Thanks for your comments