বিরামপুর, দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের বিরামপুর পৌরসভায় অবৈধ পন্থায় অপ্রয়োনীয় জনবল নিয়োগের মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে ২ কোটি টাকা। শুধু গাড়ি চালক পদের জন্য ১০ লাখ টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। দায়িত্ব গ্রহনের প্রায় ৫ মাসের মাথায় তড়িঘড়ি এই নিয়োগ নিয়ে উপজেলা জুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগে জানা গেছে, বিরামপুর পৌরসভায় তৎকালিন পৌর মেয়র বিএনপি নেতা আজাদুল ইসলাম আজাদ ২০১৪ সালে বিভিন্ন পদে ১০ জন লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিলে এলাকার সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক স্থানীয় সরকার বিভাগে ডিও লেটার দিয়ে ওই নিয়োগ বন্ধ করে দেন। ওই ডিও লেটারে এমপি শিবলী সাদিক উল্লেখ করেছিলেন, ওই পৌরসভায় নিয়মিত ৫৪ জন কর্মচারী রয়েছে যাদের অধিকাংশের কোন কাজ নেই। এই অবস্থায় আরো লোক নিয়োগ করা হলে অপ্রয়োজনীয় কর্মচারী বৃদ্ধি পাবে এবং অর্থের অপচয় হবে। ফলে সে সময় ওই নিয়োগ ছাড়পত্র বাতিল করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এর পর গত বছর ডিসেম্বরে বিরামপুর পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী লিয়াকত আলী সরকার টুটুল মেয়র নির্বাচিত হন। নির্বাচনের ৫ মাসের মাথায় বর্তমান মেয়র লিয়াকত আলী বিগত মেয়রের সময়ে সংসদ সদস্যের ডিও লেটারের ভিত্তিতে বাতিল করা ওই ১০টি পদেই লোক নিয়োগের জন্য গত ১১ মে পত্রিকায় পুনঃ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করেন।
গত ৩০ জুন ওই ১০টি পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লোক দেখানো তথাকথিত ওই নিয়োগ পরীক্ষায় জেলা প্রশাসকের কোন প্রতিনিধি ছিলনা। হাতে লেখা প্রশ্নপত্রে নেয়া হয় পরীক্ষা। প্রশ্ন উঠেছে- যেখানে সংসদ সদস্য নতুন লোক নিয়োগকে অপ্রয়োজনীয় কর্মচারী উল্লেখ করে নিয়োগ বাতিল করেন, সেখানে তড়িঘড়ি এই পুনঃ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে লোক নিয়োগের রহস্য কি ?
অভিযোগ উঠেছে মোটা অংকের টাকার চুক্তিতে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতি পদের বিপরিতে নিয়োগে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে গাড়ি চালক পদের জন্য নেয়া হয়েছে ১০ লাখ টাকা।
মেয়র লিয়াকত আলী সরকারের সাথে রোববার বেলা ১২টায় মুঠোফোনে এই নিয়োগ বিষয়ে জানতে চাইলে “আমি মিটিং-এ আছি” একথা বলে মেয়র সংযোগ কেটে দেন। পরবর্তীতে আবারো মুঠোফোনে কয়েকবার চেষ্টা করা হলে তিনি সাড়া দেননি।
এবিষয়ে বিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক খায়রুল আলম রাজু যুগান্তরকে বলেন, এমপি শিবলী সাদিকের ইঙ্গিতেই লিয়াকত আলী সরকার পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন। এখন এমপির ইঙ্গিতেই টাকা হাতিয়ে নিতেই এই নিয়োগ বানিজ্য।
এ বিষয়ে গত কাল রবিবার স্থানীয় সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান এ নিয়োগ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।
অভিযোগে জানা গেছে, বিরামপুর পৌরসভায় তৎকালিন পৌর মেয়র বিএনপি নেতা আজাদুল ইসলাম আজাদ ২০১৪ সালে বিভিন্ন পদে ১০ জন লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিলে এলাকার সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক স্থানীয় সরকার বিভাগে ডিও লেটার দিয়ে ওই নিয়োগ বন্ধ করে দেন। ওই ডিও লেটারে এমপি শিবলী সাদিক উল্লেখ করেছিলেন, ওই পৌরসভায় নিয়মিত ৫৪ জন কর্মচারী রয়েছে যাদের অধিকাংশের কোন কাজ নেই। এই অবস্থায় আরো লোক নিয়োগ করা হলে অপ্রয়োজনীয় কর্মচারী বৃদ্ধি পাবে এবং অর্থের অপচয় হবে। ফলে সে সময় ওই নিয়োগ ছাড়পত্র বাতিল করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এর পর গত বছর ডিসেম্বরে বিরামপুর পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী লিয়াকত আলী সরকার টুটুল মেয়র নির্বাচিত হন। নির্বাচনের ৫ মাসের মাথায় বর্তমান মেয়র লিয়াকত আলী বিগত মেয়রের সময়ে সংসদ সদস্যের ডিও লেটারের ভিত্তিতে বাতিল করা ওই ১০টি পদেই লোক নিয়োগের জন্য গত ১১ মে পত্রিকায় পুনঃ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করেন।
গত ৩০ জুন ওই ১০টি পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লোক দেখানো তথাকথিত ওই নিয়োগ পরীক্ষায় জেলা প্রশাসকের কোন প্রতিনিধি ছিলনা। হাতে লেখা প্রশ্নপত্রে নেয়া হয় পরীক্ষা। প্রশ্ন উঠেছে- যেখানে সংসদ সদস্য নতুন লোক নিয়োগকে অপ্রয়োজনীয় কর্মচারী উল্লেখ করে নিয়োগ বাতিল করেন, সেখানে তড়িঘড়ি এই পুনঃ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে লোক নিয়োগের রহস্য কি ?
অভিযোগ উঠেছে মোটা অংকের টাকার চুক্তিতে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতি পদের বিপরিতে নিয়োগে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে গাড়ি চালক পদের জন্য নেয়া হয়েছে ১০ লাখ টাকা।
মেয়র লিয়াকত আলী সরকারের সাথে রোববার বেলা ১২টায় মুঠোফোনে এই নিয়োগ বিষয়ে জানতে চাইলে “আমি মিটিং-এ আছি” একথা বলে মেয়র সংযোগ কেটে দেন। পরবর্তীতে আবারো মুঠোফোনে কয়েকবার চেষ্টা করা হলে তিনি সাড়া দেননি।
এবিষয়ে বিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক খায়রুল আলম রাজু যুগান্তরকে বলেন, এমপি শিবলী সাদিকের ইঙ্গিতেই লিয়াকত আলী সরকার পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন। এখন এমপির ইঙ্গিতেই টাকা হাতিয়ে নিতেই এই নিয়োগ বানিজ্য।
এ বিষয়ে গত কাল রবিবার স্থানীয় সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান এ নিয়োগ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

0 Comments
Thanks for your comments