স্টাফ রিপোর্টার॥ লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ও ব্রাদারের ভুল চিকিৎসা ও এতিমখানা কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও গাফিলোতির কারণে শিশু হুসাইনের হাতের কবজি কেটে ফেলে দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের কাজীর চওড়া গ্রামের তাজুল ইসলামে পুত্র মোঃ হুসাইন (৮) তার দাদীর সাথে থাকতো। হুসাইনের বাবা অরেকটি বিয়ে করে ঢাকায় চলে যায়। তাই তার মা ও অন্য একজনকে বিয়ে করে চলে যান। তখন থেকে হুসাইন তার দাদীর কাছে থাকতো। স্থানীয় এক সাংবাদিকের মাধ্যমে জেলা আদিতমারী উপজেলার নামুড়ী এলাকায় কাতার কর্তৃক পরিচালিত পলাশী এতিম খানায় রাখা হয় হুসাইকে। এদিকে গত ০৪/০৫/২০১৭ইং তারিখে এতিম খানায় শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম হুসাইনকে হাত ভাঙ্গা ও দাত ভাঙ্গা অবস্থায় লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে এবং হুসাইনের দাদীকে খবর দেয়। হুসাইনের দাদী হাসপাতালে এলে জানানো হয় খেলতে গিয়ে হুসাইন হাত ও দাঁত ভেঙ্গেছে। হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক অনবিজ্ঞ হাসপাতালের ব্রাদার জহুরুল দ্বারা শিশুটি হাত প্লাষ্টার করার এবং শিক্ষক জাহিদুলের পরামর্শে হাসপাতালে শিশু হুসাইকে ভর্তি না করে বাড়িতে পাঠিয়েদেয়। শিশু হুসাইয়ের দাদী হাসপাতালে ভর্তি করার বলতে ব্রাদার জহুরুল তাদের ভর্তি না করে ৪শত টাকা নিয়ে বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয়। বাড়ীতে ফিরে রাতে হুসাইন অসুস্থ হলে পরের দিন তাকে আবার লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রায় ১ মাস চিকিৎসা করার পরও হুসাইনের হাতের মাংস পচে যায়। সদর হাসপাতালের অর্থপেটিক্স ডাঃ মাহফিল গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছে হুসাইনের হাতটি কেটে ফেলতে হবে। তাদের আর কিছুই করার নাই।
হুস্ইানের দাদী আমেনা বেগম জানায়, প্রথম দিনে ব্রাদার জহুরুলের ভুল করে ব্যান্ডেজ করার কারণে ও ডাঃ মাহফিলের ভুল চিকিৎসায় আমার নাতীর হাত আজ কাটতে হচ্ছে।
হুসাইনের ফুপা দুলু মিয়া জানান, হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও এতিমখানার কর্তৃপক্ষ এতিম শিশুটি কোন খোজ খবর নেয়নি। তাই আজ বিনা চিকিৎসার শিশুটি হাত কেটে ফেলতে হচ্ছে।
শিশু হুসাইন এর হাত ও দাঁত কিভাবে ভাংলো এ ব্যাপারে এতিমখানা শিক্ষক জাহিদুল ইসলামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে এ প্রতিনিধির মোবাইল কেটে দেন।
এতিম খানার প্রধান শিক্ষক আতিকুর রহমানকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, সবই তার ভাগ্যেরদোষ তাই তার হাতটি কেটে ফেলতে হচ্ছে। কিভাবে হাত ও দাঁত ভাঙলো তা জানতে তিনি উত্তর না দিয়ে জাহিদুল মাস্টারের সাথে কথা বলার কথা বলে মোবাইল কেটে দেন।
লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের ব্রাদার জহুরুল জানান, কতব্যরত ডাক্তার আদেশ ও পরামর্শে তিনি শিশুটির প্লাষ্টার করেছেন।
লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের অর্থপেটিক্স ডাঃ মাহফিলকে মোবাইল করা হলে ওনার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
জানা যায়, লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের কাজীর চওড়া গ্রামের তাজুল ইসলামে পুত্র মোঃ হুসাইন (৮) তার দাদীর সাথে থাকতো। হুসাইনের বাবা অরেকটি বিয়ে করে ঢাকায় চলে যায়। তাই তার মা ও অন্য একজনকে বিয়ে করে চলে যান। তখন থেকে হুসাইন তার দাদীর কাছে থাকতো। স্থানীয় এক সাংবাদিকের মাধ্যমে জেলা আদিতমারী উপজেলার নামুড়ী এলাকায় কাতার কর্তৃক পরিচালিত পলাশী এতিম খানায় রাখা হয় হুসাইকে। এদিকে গত ০৪/০৫/২০১৭ইং তারিখে এতিম খানায় শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম হুসাইনকে হাত ভাঙ্গা ও দাত ভাঙ্গা অবস্থায় লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে এবং হুসাইনের দাদীকে খবর দেয়। হুসাইনের দাদী হাসপাতালে এলে জানানো হয় খেলতে গিয়ে হুসাইন হাত ও দাঁত ভেঙ্গেছে। হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক অনবিজ্ঞ হাসপাতালের ব্রাদার জহুরুল দ্বারা শিশুটি হাত প্লাষ্টার করার এবং শিক্ষক জাহিদুলের পরামর্শে হাসপাতালে শিশু হুসাইকে ভর্তি না করে বাড়িতে পাঠিয়েদেয়। শিশু হুসাইয়ের দাদী হাসপাতালে ভর্তি করার বলতে ব্রাদার জহুরুল তাদের ভর্তি না করে ৪শত টাকা নিয়ে বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয়। বাড়ীতে ফিরে রাতে হুসাইন অসুস্থ হলে পরের দিন তাকে আবার লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রায় ১ মাস চিকিৎসা করার পরও হুসাইনের হাতের মাংস পচে যায়। সদর হাসপাতালের অর্থপেটিক্স ডাঃ মাহফিল গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছে হুসাইনের হাতটি কেটে ফেলতে হবে। তাদের আর কিছুই করার নাই।
হুস্ইানের দাদী আমেনা বেগম জানায়, প্রথম দিনে ব্রাদার জহুরুলের ভুল করে ব্যান্ডেজ করার কারণে ও ডাঃ মাহফিলের ভুল চিকিৎসায় আমার নাতীর হাত আজ কাটতে হচ্ছে।
হুসাইনের ফুপা দুলু মিয়া জানান, হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও এতিমখানার কর্তৃপক্ষ এতিম শিশুটি কোন খোজ খবর নেয়নি। তাই আজ বিনা চিকিৎসার শিশুটি হাত কেটে ফেলতে হচ্ছে।
শিশু হুসাইন এর হাত ও দাঁত কিভাবে ভাংলো এ ব্যাপারে এতিমখানা শিক্ষক জাহিদুল ইসলামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে এ প্রতিনিধির মোবাইল কেটে দেন।
এতিম খানার প্রধান শিক্ষক আতিকুর রহমানকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, সবই তার ভাগ্যেরদোষ তাই তার হাতটি কেটে ফেলতে হচ্ছে। কিভাবে হাত ও দাঁত ভাঙলো তা জানতে তিনি উত্তর না দিয়ে জাহিদুল মাস্টারের সাথে কথা বলার কথা বলে মোবাইল কেটে দেন।
লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের ব্রাদার জহুরুল জানান, কতব্যরত ডাক্তার আদেশ ও পরামর্শে তিনি শিশুটির প্লাষ্টার করেছেন।
লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের অর্থপেটিক্স ডাঃ মাহফিলকে মোবাইল করা হলে ওনার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

0 Comments
Thanks for your comments